কোভিড নাইনটিনে থমকে আছে পুরো বিশ্ব; মৃত্যুর মিছিলে অসহায় স্পেন, ইতালি, জার্মানির নাগরিকরা। সেখানে দুঃসাহসিক বুন্দেসলিগা জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। স্রোতের বিপরীতে তারা শুরু করেছে অনুশীলন।

লকডাউনে পুরো জার্মানি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মাঝেও বসে ব্যতিক্রম বায়ার্ন মিউনিখের পুরো স্কোয়াড। একমাস না যেতেই সবুজ গালিচায় সোমবার ফিরেছে বাভারিয়ানরা। পাঁচ ভাগে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছে ম্যানুয়েল নয়্যার, লেভানডোভস্কি, থমাস মুলারদের ওয়ার্ম আপ।

এরআগে করোনার কারণে ১৩ মার্চ থেকে বুন্দেসলিগা বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু জার্মানির ফুটবল লিগ বলেছে, ছোট ছোট টিমে ভাগ হয়ে ফুটবলাররা অনুশীলন করতে পারে। সে হিসেবে সোমবার সকালে প্রথম দলে লেবানডস্কি এবং কোমানকে দেখা যায়। তার পর অন্য ফুটবলাররা ছোট ছোট গ্রুপ করে অনুশীলন করেন। তবে, জার্মান ফুটবল সংস্থার পক্ষে বলা হয়, ‘অনুশীলনের সময় বাইরের কোন

করোনার আঘাত ক্রীড়াঙ্গনে প্রভাব পড়েছে বিশ্বজুড়ে। এবার পেছানোর অপেক্ষায় ফুটবলারদের গ্রীষ্মকালীন দলবদল। চলতি মৌসুমে ফুটবলারদের মেয়াদ ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে, ফিফা ও উয়েফার ক্লাবগুলোর ইঙ্গিত বাড়তে যাচ্ছে সেই চুক্তির মেয়াদও।

করোনার এই দুযোর্গকালীন সময়ে এগিয়ে এসেছে নেদারল্যান্ডসের ফুটবলাররা। পুরুষ ও নারী জাতীয় দলের সাথে, ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, স্পন্সররাও একত্রিত হয়েছে। ১৬ হাজার ১৬৪ বর্গকিলোমিটারের মানচিত্রে, ডাচ সকার ক্লাবের সংখ্যা ৩ হাজার, দেশটির মোট ফুটবলারের সংখ্যা যেখানে ১২ লাখ। অসহায় দুস্থদের নয়, সর্বমোট ১২ মিলিয়ন ডলার অনুদান পাচ্ছে এই ক্লাবগুলো।

এদিকে ফুটবলের দ্বিতীয় সুখবর দিয়েছে চীন। দেশটির জাতীয় দলের ফুটবলাররা দুবাই থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইন কাটিয়ে অনুশীলন ফিরতে পারবেন। এবার যে যার ক্লাবে যেতে পারবেন। চীনের জাতীয় ফুটবল দলের তরফে বলা হয়, ‘প্রত্যেক প্লেয়ারের দু’বার করে পরীক্ষা হয়েছে। দু’বারই তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এর পরই তাদের প্র্যাক্টিসে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’