প্রাণঘাতী করোনা মোকাবেলায় জীবন বাজি রেখে লড়াই করা চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন দ্বিগুন করেছে ভারতের হরিয়ানা রাজ্য সরকার।

শুক্রবার হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টর এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে জিনিউজ জানিয়েছে।

একটি বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, যতদিন এই পরিস্থিতি থাকবে, যতদিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে, দ্বিগুণ বেতন পাবেন করোনা চিকিৎসায়রত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চিকিত্সকদের পরই যাদের কথা এই লড়াইয়ে মাথায় আসে, তারা হলেন পুলিশকর্মী। হরিয়ানা সরকার তাদের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মনোহরলাল খাট্টর জানিয়েছেন, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনো পুলিশকর্মীর মৃত্যু হলে, ৩০ লাখ টাকার বীমা দেয়া হবে তার পরিবারকে।

এর আগে পাঞ্জাব সরকারও পুলিশ ও সাফাইকর্মীদের জন্য ৫০ লাখ টাকার বীমা ঘোষণা করেছে।

প্রসঙ্গত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছুঁই ছুঁই। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত আরও নতুন করে ৫৯১ জন কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৬৫।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ জন প্রাণও হারিয়েছেন। তাতে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু সংখ্যা এসে ঠেকেছে ১৬৯-এ।

কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ১০৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও রাজ্য সরকারের হিসাবে সংখ্যাটা ৮৩।

 

আমরা আরও জানতে পারলাম লাখো মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিলেন হৃতিক রোশন

ভারতের মুম্বাইয়ে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা হৃতিক রোশন।

এর আগে অমিতাভ বচ্চন, আমির খান, অক্ষয় কুমার ও সালমান খানও দুস্থদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

‘অক্ষয় পাত্র’ নামে একটি এনজিও মুম্বাইয়ের পৌরসভার কর্মীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন N95, FFP3 মাস্ক। এবার এনজিও ‘অক্ষয় পাত্র’র সঙ্গে হাত মিলিয়ে দরিদ্র মানুষকে খাবার দেয়ার কাজে এগিয়ে এলেন হৃতিক রোশন।

এই সংস্থা বাড়িতে রান্না করা খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন হতদরিদ্র মানুষের কাছে। এ তালিকায় আছেন বৃদ্ধাশ্রমের মানুষ, দিন আনা-দিন খাওয়া শ্রমিক।

অর্থ দানের পর সংস্থার তরফে টুইট করে হৃতিককে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। হৃতিকের অর্থ সাহায্যে তৈরি করা খাবার প্রতিদিন পৌঁছে যাবে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের কাছে।

এই সংস্থা জানিয়েছেন, যতদিন না অবধি লকডাউন স্বাভাবিক হয়, ততদিন তারা খাবার দিয়ে যাবেন বৃদ্ধাশ্রমে ও দিনমজুরদের।