হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মানুষজন আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। করোনা অধ্যূষিত ঢাকা-চট্রগ্রাম এবং বিশেষ করে নারায়নগঞ্জ জেলায় কর্মরত গার্মেন্ট শ্রমিকরা রাতের আধারে বানিয়াচংয়ে প্রবেশ করায়, বানিয়াচং উপজেলার মানুষজন আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

গতকাল ১১এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমানে‘র মাধ্যমে জানা যায়, জেলার প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই বিষয়টি জানার পর পর বানিয়াচং উপজেলার সচেতন অনেকের মধ্যেই আতংক বিরাজ করছে।

 

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য এবং এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের আড়িয়ামুগুর গ্রামে ১৪টি পরিবার নারায়নগঞ্জ থেকে গ্রামে এসেছেন। তারা সকলেই গার্মেন্ট ফেরত শ্রমিক। ঐ পরিবারগুলোর পুরুষ সদস্য সংখ্যা ২১জন এবং মহিলা সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৪জন।

এছাড়াও ১নং উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের জামালপুর ও হেঙ্গুনিয়ামের পাড়ার ৩জন, ৭নং ওয়ার্ডের গোপের মহল্লার ২জন, পচারবাগ গ্রামের ১জন, ৬নং ওয়ার্ডের কাজী মহল্লার ২জন,উত্তর চতুরঙ্গ রায়ের পাড়ার ২জন ঢাকা-নারায়নগঞ্জ ও চট্রগ্রাম থেকে এসেছেন।

এ ব্যাপারে গনমাধ্যম কর্মী আকিকুর রহমান রুমন জানান, তিন/চারদিন যাবৎ রাতের আধারে এবং শেষ রাতে প্রচুর এ্যম্বুলেন্স ও প্রাইভেট কার যোগে অনেক মানুষ বানিয়াচংয়ে প্রবেশ করেছে। এর সঠিক কোন সংখ্যা আমাদের জানা নাই। এখন উপরওয়ালা ছাড়া আমাদেরকে কেউ বাচাতে পারবে না। দৌলতপুর ইউনিয়নের আড়িয়ামুগুর গ্রামের ওয়ার্ড মেম্বার মহারাজ দাশ নারায়নগঞ্জ ফেরতদের কথা স্বীকার করে জানান, তারা সকলেই হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুন খন্দকার বলেন বানিয়াচং উপজেলার আড়িয়ামুগুর গ্রামের ২০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তাদের বাড়িতে লাল নিশান উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য ত্রানের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।