ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার একটি শ্রমিক কলোনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কলোনির প্রায় ৮টি টিনসেড কক্ষ পুড়ে গেছে৷ খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) রাত ১১ এর দিকে পলাশবাড়ী কামাল গার্মেন্টস এলাকার সানাউল হকের শ্রমিক কলোনিতে এ আগুিকান্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ইপিজেড) ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে চারটি ইউনিট প্রায় একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হই। আগুনে শ্রমিক কলোনির প্রায় ৮ টি কক্ষ পুড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।

কলোনীতে বসবাসকারী শ্রমিকদের দাবী তাদের প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

 

এচাড়াও বরিশালে লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

বরিশাল নদী বন্দরে নোঙ্গর করা যাত্রীবাহী চন্দ্রদ্বীপ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিচ তলা এবং দ্বিতীয় তলার অবকাঠামো এবং সাঁজসজ্জা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বরিশাল সদর নৌ থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আকস্মিক লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগেই লঞ্চের নিচ এবং দ্বিতীয় তলার অবকাঠামো এবং আসবাবপত্রসহ সাঁজসজ্জা পুড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক আক্তারুজ্জামান বলেন, ধারনা করা হচ্ছে মশার কয়েল অথবা ধূমপানের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত আগুনের প্রকৃত কারণ জানানো সম্ভব নয়।

বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, চন্দ্রদ্বীপ লঞ্চটি বরিশাল-লক্ষ্মীপুর রুটে চলাচল করতো। সরকারি নির্দেশে অভ্যন্তরীণ এবং দূরপাল্লার সকল রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে প্রায় ৩০টি লঞ্চ নদী বন্দরের পন্টুনে নোঙ্গর করে রাখা ছিলো।

নোঙ্গর করে রাখা লঞ্চের পেছনের দিকে থাকা চন্দ্রদ্বীপ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তা না হলে বড় ধরনের বিপর্যয়সহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। এ জন্য নৌ বন্দরে নিরাপত্তার দাবি জানান তিনি।