সাত মাস আগেই ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যায় কর্তৃত্ব দিয়ে রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তাতে শর্ত উল্লেখ করে কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হয়নি।

পাঁচ সাবেক ও বর্তমান প্রশাসনিক কর্মকর্তার বরাতে এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, যদি ইরানের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনে কোনো আমেরিকানের মৃত্যু হয়; তবেই সোলাইমানিকে হত্যায় কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা যাবে। ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন হুমকির কথা বলে সোলাইমানিকে হত্যা করা হলেও নতুন ফাঁস হওয়া তথ্য সেই দাবিকে আরও জটিল পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে। মার্কিন বাহিনী বিশ্বাস করে, কয়েক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর জন্য ইরানের এ শীর্ষ জেনারেল দায়ী। ইরান একটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার পরেই এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

সোলাইমানিকে হত্যার অনুমোদনে তোড়জোড় করেছিলেন সাবেক মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার পর বোল্টন তাতে সমর্থন জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পরররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এই হামলার পক্ষে ছিলেন। ফক্স নিউজকে গত সপ্তাহে তিনি বলেন, বেশ কিছু হামলার ষড়যন্ত্র করেছিলেন সোলাইমানি।

ইরাকে ইরানি ছায়া বাহিনীর হামলার জবাবে ট্রাম্পের কাছে যেসব বিকল্প তুলে ধরা হয়, তার মধ্য দিয়ে সেখানে সোলাইমানি হত্যার সিদ্ধান্তকে বেছে নেয়া হয়েছে। এর আগে ইরাকি ছায়া বাহিনীর হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের এক বেসামরিক ঠিকাদার নিহত হয়েছিলেন। এ ছাড়া মার্কিন সেনাবাহিনীর চার সদস্য আহত হন। হামলার ক্ষেত্রে পাল্টা প্রতিশোধ আসার যে পরামর্শ দেয়া হয়েছিল, তা আমলে নেননি ট্রাম্প। তখন তিনি বলেন, তারা যদি আমেরিকানদের ওপর আঘাত হানে, তবেই এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে।

 

ট্রাম্প দাবি করেন, বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এই ইরানি সামরিক কর্মকর্তা।